জানাজায় মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করেছে তার জনপ্রিয়তার পারদের উচ্চতা | দাফন সম্পন্ন,

আওয়ামী লীগের শোক

ঢাকা :  আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূতমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের জানাজায় মানুষের উপস্থিতি প্রমান করেছে তার জনপ্রিয়তার পারদ কত উপরে ছিল। তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা। ১৪ মে সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম নগরের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হয় তার নিজ উপজেলা মিরসরাইয়ে। সেখানে বাদ আসর ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। সকালে মরদেহ জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আনার পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানান।

জানাজায় অংশ নেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, সিপিবির সাবেক সভাপতি শাহ আলম প্রমুখ। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে মোশাররফ হোসেনের ভূমিকা এবং চট্টগ্রামের উন্নয়নে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন। পরিবারের পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বড় ছেলে সাবেদুর রহমান তার পিতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ১৩ মে বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং বেশ কিছু দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অক্টোবর মাসে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের আগস্টে অসুস্থতার কারণে তিনি বিএসএমএমইউ (পিজি হাসপাতাল)-এ চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। 

 আওয়ামী লীগের শোক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীরসদস্য, দেশবরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বীরমুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের এক শোকবার্তায় বলা হয়, ”আমরা গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে জানাচ্ছি যে, জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে দেশবরেণ্য রাজনৈতিকব্যক্তিত্ব, বর্ষীয়ান ও জনমানুষের নেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের মৃত্যুতে সমগ্রজাতি আজ শোকাভিভূত। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময়জীবন, গণমানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং দেশ গঠনে অসামান্য অবদান জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।  তার প্রতি হওয়া জঘন্য অন্যায়, অবিচার ও অত্যাচার কলঙ্ক হিসেবে চিহ্নিত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *