মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকা
--:--
সিডনি
--:--
ব্রেকিং
হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-নাসীরুদ্দীন আহতপশ্চিম সিডনিতে নতুন জাতীয় উদ্যান: সেন্টেনিয়াল পার্কের চেয়ে তিনগুণ বড় এক সবুজ বিপ্লবশাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরহবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-নাসীরুদ্দীন আহতপশ্চিম সিডনিতে নতুন জাতীয় উদ্যান: সেন্টেনিয়াল পার্কের চেয়ে তিনগুণ বড় এক সবুজ বিপ্লবশাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকর
বিবিধ খবর

রাষ্ট্রপতি তিনটি কারণে অপরাধী, জামায়াত আমির ডা.শফিকুর রহমান

আসিফ কবির ৪ মাস আগে বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৬১ বার পঠিত
ছবি বিটিভি

ইনসাইডার ডেস্ক

বিরোধী দলের ওয়াকআউট

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতউ সংসদের অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে বিরোধী দলের ওয়াকআউট করেছে। এর পর বাইরে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ছিল তারা যেন এখানে কোনো বক্তব্য রাখতে না পারে। এ সময় রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, প্রথমত তিনি অতীতে সংঘটিত হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নেননি। তাঁর ভাষায়, ‘রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে তিনি সেই সময়ের কোনো খুনের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ করেননি এবং কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।’

দ্বিতীয় অভিযোগ হিসেবে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সেই বক্তব্য অস্বীকার করেছেন। এতে তিনি জাতির সামনে ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন বলে দাবি করেন শফিকুর রহমান।

তৃতীয় অভিযোগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংস্কার পরিষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য—এই দুই ভূমিকায় দায়িত্ব পালনের বিষয়টি একটি অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপতি তা করেননি। শফিকুর রহমান দাবি করেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলেও সেই অনুযায়ী উদ্যোগ না নেওয়ায় রাষ্ট্রপতি জনগণকে অসম্মান করেছেন।

এসব কারণেই তারা রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুনতে রাজি নন বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে সরকারি দলকে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বন্ধ করার আহ্বান জানানো হলেও তাদের সেই আহ্বান গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা সংক্ষুব্ধ হয়ে সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছি। ভবিষ্যতেও সংসদে কোনো অন্যায় হলে আমরা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেব এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাব।