মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকা
--:--
সিডনি
--:--
ব্রেকিং
হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-নাসীরুদ্দীন আহতপশ্চিম সিডনিতে নতুন জাতীয় উদ্যান: সেন্টেনিয়াল পার্কের চেয়ে তিনগুণ বড় এক সবুজ বিপ্লবশাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরহবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-নাসীরুদ্দীন আহতপশ্চিম সিডনিতে নতুন জাতীয় উদ্যান: সেন্টেনিয়াল পার্কের চেয়ে তিনগুণ বড় এক সবুজ বিপ্লবশাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকর
বিবিধ খবর

সেলুলয়েডে ইতিহাস ও আবেগ: আলোচনায় সহিদ রহমানের ‘আমি শেখ মুজিবের মেয়ে’

ডেস্ক রিপোর্ট ১ মাস আগে বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ ১০৭ বার পঠিত

ডকু-ফিকশনটি ইতিহাসের একটি অধ্যায়কে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। ব্যক্তিগত শোক, প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো এতে গুরুত্ব পেয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এক নারীর জীবনসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে নতুন ডকু-ফিকশন/টেলিফিল্ম ‘আমি শেখ মুজিবের মেয়ে’। সম্প্রতি প্রকাশিত এর ফার্স্ট লুক পোস্টারটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। ‘ফ্রেম ফ্যাক্টরী’ নিবেদিত এই নির্মাণের চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন নির্মাতা সহিদ রহমান।

নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহের পর একজন নারীর ব্যক্তিগত জীবন, শোক, সংগ্রাম এবং দীর্ঘ পথচলার বিভিন্ন দিক এই নির্মাণে তুলে ধরা হয়েছে।

পোস্টারের ক্যানভাসে ইতিহাসের অনুষঙ্গ

প্রকাশিত পোস্টারটিতে বিভিন্ন প্রতীকী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি দেখা যায়। সামনের অংশে দৃঢ় অভিব্যক্তিসম্পন্ন এক নারীর অবয়ব উপস্থাপন করা হয়েছে, যা নির্মাণের কেন্দ্রীয় চরিত্রকে নির্দেশ করে।

পোস্টারে জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংসদ ভবনের অবয়ব, জনসমাগম এবং নদী পারাপারের দৃশ্য ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে। পোস্টারে ব্যবহৃত “আমি ফিরবো, আমি পারবো” বাক্যটি নির্মাণের মূল ভাবনাকে তুলে ধরেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই নির্মাণ

ডকু-ফিকশনটি ইতিহাসের একটি অধ্যায়কে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। ব্যক্তিগত শোক, প্রতিকূলতা মোকাবিলা এবং সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো এতে গুরুত্ব পেয়েছে।

প্রবাসী এবং নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি সময়কালকে ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপনের একটি প্রয়াস হিসেবে এই নির্মাণকে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের কাছে এটি আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

নির্মাণশৈলীর দিক থেকেও পোস্টারটি দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মেকআপ, কস্টিউম এবং ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনায় সময়কালীন আবহ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোকে পর্দায় কতটা বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, সেটিও দর্শকদের আগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

পর্দা উন্মোচনের অপেক্ষা

ইতিহাসভিত্তিক নির্মাণ সবসময়ই দর্শকদের বিশেষ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। ‘আমি শেখ মুজিবের মেয়ে’ তার প্রথম প্রকাশিত পোস্টারের মাধ্যমে সেই আগ্রহ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। টেলিভিশন বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তির পর দর্শক প্রতিক্রিয়া কেমন হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। টেলিফিল্মটির নির্মাণে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন মো. সোলায়মান আলী (যুক্তরাষ্ট্র), বিলকিস জাহান (অস্ট্রেলিয়া), নাজমুল ইসলাম বাবুল (মালয়েশিয়া), ওয়াদুদ মল্লিক রানা (গ্রীস), শাহাদাত হোসেন তপন (যুক্তরাজ্য) এবং মো. তালুকদার কফিল উদ্দিন (ইতালি)।

নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, টেলিফিল্মটি অতি শীঘ্রই ভারতে মুক্তি পাবে।