মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকা
--:--
সিডনি
--:--
ব্রেকিং
শাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরপাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথাএবিএম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিলশাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরপাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথাএবিএম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিল
বিবিধ খবর

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল এমপি জেমি চ্যাফি

স্টাফ রিপোর্টার ১ মাস আগে শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ ৭৯ বার পঠিত
ফেডারেল সংসদ সদস্য ও শ্যাডো মন্ত্রী জেমি চ্যাফি এবং ব্যারিস্টার সুমন

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সংসদ সদস্য ও শ্যাডো মন্ত্রী জেমি চ্যাফি এমপি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী মাননীয় টনি বার্ক এমপি এর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষভাবে তিনি “তিনি ব্যারিস্টার সৈয়দুল হক সুমন এবং জুনাইদ আহমেদ পলক এর  বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত, স্বচ্ছ এবং আইনানুগ নিষ্পত্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ আইনি অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।”। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, তারা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন অনুযায়ী সকল ন্যায়বিচার, আইনগত অধিকার এবং যথাযথ আইনি সহায়তা লাভের সুযোগ পাবেন।

জেমি চ্যাফি এমপি দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করে আসছেন। কমিউনিটির উদ্বেগ ও মতামতের প্রতিফলন ঘটিয়ে তিনি ব্যারিস্টার সৈয়দুল হক সুমন এবং জুনাইদ আহমেদ পলকের বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ান সরকারের দৃষ্টিতে এনেছেন এবং এ নিয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
এছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়ান সরকার এবং ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিয়মিত ও গঠনমূলক সংলাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড ও আইনের শাসনের আলোকে একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া লাভ করতে পারেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। তিনি গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারিক প্রক্রিয়ার সুযোগ পাবেন।