২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার মায়ামিতে মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ে ও ইংল্যান্ড। ম্যাচটির বাজি শুধু সেমিফাইনালে ওঠাই নয়, আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন দুই তারকা স্ট্রাইকার Erling Haaland ও Harry Kane। একই সঙ্গে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও জমে উঠেছে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে। দলের এই ঐতিহাসিক যাত্রায় সবচেয়ে বড় অবদান হালান্ডের। প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই সাত গোল করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড। শেষ ষোলোয় তার জোড়া গোলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল বিদায় নেয়।
অন্যদিকে ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেন করেছেন ছয় গোল। গ্রুপ পর্বে ক্রোয়েশিয়া এবং নকআউটে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র ও মেক্সিকোর বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ গোল করে দলকে শেষ আটে তুলেছেন তিনি। ২০১৮ সালের পর আবারও গোল্ডেন বুট জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন ইংলিশ অধিনায়ক।
বর্তমানে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে রয়েছেন Kylian Mbappé ও Lionel Messi, দুজনেরই গোল আটটি। তাদের ঠিক পেছনেই রয়েছেন হালান্ড (৭) ও কেন (৬)।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ের প্রধান কোচ Ståle Solbakken বলেন, কোয়ার্টার ফাইনালের ভাগ্য অনেকটাই নির্ধারণ করবে দুই দলের দুই স্ট্রাইকারের লড়াই।
তার ভাষায়, “এটি অবশ্যই নরওয়ে বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচ। তবে এটা গোপন কিছু নয় যে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ম্যাচজয়ী খেলোয়াড় হ্যারি কেন, আর আমাদের জন্য সেই ভূমিকা পালন করে এরলিং হালান্ড।”
ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে। অন্যদিকে নরওয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। ফলে দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি নজর থাকবে হালান্ড ও কেনের ব্যক্তিগত দ্বৈরথ এবং গোল্ডেন বুটের প্রতিযোগিতার দিকেও।



