পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বড় সাফল্যের পর নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। দল কাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বেছে নেবে, সেদিকে নজর রয়েছে গোটা রাজ্যের। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক রাজ্যে পর্যালোচনা শেষ করে দলের বৈঠকে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করবেন। এরই মধ্যে মঙ্গলবার দলটির পর্যবেক্ষক রাজ্য পর্যবেক্ষণ করতে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তার রাজনৈতিক প্রভাব এবং নেতৃত্বকে দলের বড় সাফল্যের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও তাকে আরও আলোচনায় এনেছে। দলের বিধায়কদের একাংশের সমর্থনও তার দিকে রয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলে এটিও আলোচিত হচ্ছে যে, বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অনেক সময় তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত বা ‘লো-প্রোফাইল’ মুখকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছে। মধ্যপ্রদেশে মোহন যাদব, রাজস্থানে ভজনলাল শর্মা, ওড়িশায় মোহনচরণ মাঝি এবং ছত্তিশগড়ে বিষ্ণুদেব সাই-এর উদাহরণ সেই প্রবণতাকেই তুলে ধরে। সেই কারণে বাংলাতেও নতুন চমক আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নামও আলোচনায় রয়েছে। দীর্ঘদিনের আরএসএস ও সংগঠন-ভিত্তিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি দলের অভ্যন্তরে গ্রহণযোগ্য। তবে জনসমর্থনের দিক থেকে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে। এ ছাড়া প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন। সংগঠনের মধ্যে তার দীর্ঘদিনের ভূমিকা এবং প্রভাব তাঁকে আলোচনায় রেখেছে। বিজেপির প্রবীণ নেতা স্বপন দাশগুপ্তের নামও আলোচনায় উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও রাজ্যে তার জনভিত্তিক পরিচিতি তুলনামূলকভাবে সীমিত। উল্লেখ, দলীয় সূত্র জানিয়েছে আগামী ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে। Post navigation বৈশ্বিক ধাক্কা মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের নতুন চুক্তি সিডনিতে ৩ ও ৪ জুন ডিজিটাল শিক্ষা, সৃজনশীলতার বৈশ্বিক মিলনমেলা