বাংলাদেশে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত ঈদের আমেজে ভরে উঠেছে সব এলাকা। অস্ট্রেলিয়ায় সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেনসহ বিভিন্ন শহরে ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হচ্ছে।
সাম্য, ত্যাগ ও মানবিকতার মহান বার্তা নিয়ে আবারও এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা। বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানরা আজ এই পবিত্র উৎসব উদ্যাপন করছেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ কিছু দেশে গতকাল ঈদ পালিত হলেও বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া এবং আরও বহু দেশে গতকাল ও আজ উদ্যাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা।
বাংলাদেশে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত ঈদের আমেজে ভরে উঠেছে সব এলাকা। জাতীয় ঈদগাহ ও স্থানীয় মসজিদগুলোতে ঈদের নামাজ আদায় করছেন লাখো মুসল্লি। পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামে ফেরা মানুষের ভিড়, কোরবানির পশুর হাটের ব্যস্ততা এবং ঈদের কেনাকাটা—সব মিলিয়ে দেশজুড়ে উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।
অস্ট্রেলিয়ায় সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেনসহ বিভিন্ন শহরে ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হচ্ছে। স্থানীয় মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টারগুলোতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদের জামাত। প্রবাসী বাংলাদেশি ও অন্যান্য মুসলিম কমিউনিটি একত্রিত হয়ে নামাজ আদায় করছেন এবং পরস্পরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ঈদের পর কোরবানির কার্যক্রমও স্থানীয় নিয়মনীতি মেনে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হয়। ঈদুল ফিতরের মতো এ ঈদে আগেভাগে চাঁদ দেখার অনিশ্চয়তা থাকে না। প্রায় ১০ দিন আগেই ঈদের তারিখ নির্ধারিত হয়ে যায়। ফলে পশু কেনাকাটা থেকে শুরু করে গ্রামের বাড়ি ফেরা পর্যন্ত সব প্রস্তুতিই মানুষ আগে থেকেই সম্পন্ন করেন।
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। এই দিনে সবাই সামর্থ্য অনুযায়ী নতুন বা পরিষ্কার পোশাক পরে, আতর-সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদ বা ঈদগাহে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে কোলাকুলির মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা।
এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করা হবে। প্রত্যেক আর্থিকভাবে সক্ষম মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি করল না, সে যেন আমার ঈদগাহে না আসে।”



