বিশ্বজুড়ে চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, তীব্র আর্থিক সংকট এবং উন্নয়ন স্থবিরতার মধ্য দিয়েই নবম দশকে পদার্পণ করছে জাতিসংঘ। সংস্থার এই ঐতিহাসিক ও চ্যালেঞ্জিং সময়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে ঐতিহাসিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত মঙ্গলবার (২ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে প্রদত্ত তার প্রথম আনুষ্ঠানিক নীতি-নির্ধারণী বক্তৃতায় বৈশ্বিক শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা হিসেবে একটি শক্তিশালী ‘ছয় দফা কর্মপরিকল্পনা’ বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করেন তিনি। এক নজরে ড. খলিলুর রহমানের ৬ দফা কর্মপরিকল্পনা : বিশ্বের বর্তমান বহুমুখী সংকট মোকাবিলায় নবনির্বাচিত সভাপতি তার বক্তৃতায় যে ছয়টি স্তম্ভের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন:– ১. বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার ২. সংঘাত প্রতিরোধ ও বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ৩. শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অর্থবহ অংশগ্রহণ বৃদ্ধি , ৪. ২০৩০ এজেন্ডা ও এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গতি আনা, ৫. আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার ও ঋণ ব্যবস্থাপনা,৬. স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য ‘দোহা কর্মসূচি’র পূর্ণ বাস্তবায়ন কূটনৈতিক সায় ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ : বক্তৃতার শুরুতেই ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের এই ক্রান্তিলগ্নে সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশের ওপর যে আস্থা ও সমর্থন দেখিয়েছে, তা আমি অত্যন্ত বিনয় ও গভীর দায়িত্ববোধের সঙ্গে গ্রহণ করছি।” তিনি এই ঐতিহাসিক অর্জনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান এবং তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত টিম ও আন্তর্জাতিক শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকৌরিসের ইতিবাচক ও গঠনমূলক প্রচারণার ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি। Post navigation চিরনিদ্রায় শায়িত প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ ইরানে ‘যুদ্ধবিরতি’ মানে পরিমিত গুলি চালানো: বিচিত্র দাবি ট্রাম্পের