মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকা
--:--
সিডনি
--:--
ব্রেকিং
শাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরপাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথাএবিএম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিলশাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরপাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথাএবিএম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিল
বিবিধ খবর

চকরিয়া বন্যায় সড়কে ক্ষতি ৮২ কোটি টাকা

dsinsider ৩ দিন আগে শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ১৮০ বার পঠিত

মোহাম্মদ উল্লাহ, চকরিয়া (কক্সবাজার)  

টানা প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভাঙনের কবলে অনেক সড়কে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।  সমগ্র কক্সবাজার জেলায় সড়ক ও অবকাঠামো খাতে যে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে,তার মধ্যে চকরিয়া ও মাতামুহুরী  উপজেলাতেই সড়কের ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি।

দুই উপজেলার এলজিইডি ও সড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়কের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আনুমানিক ৮১ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বন্যার কবলে পড়ে ভাঙাচোরা সড়কগুলোতে চলাচল করতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছে মানুষজন। 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, দুই উপজেলায় এলজিইডির ২৬ টি সড়কের তিন শত চল্লিশ কিলোমিটার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আনুমানিক ৮২ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের তথ্যমতে, দুই উপজেলার ৭টি সড়ক কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরীর বিভিন্ন অংশে বন্যার পানি নামতে বিলম্ব হওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে স্লুইসগেট গুলোর অব্যবস্থাপনা। এই অঞ্চলের মোট ১০৩ টি স্লুইসগেটের মধ্যে ১০ টির মতো অকেজো ছিল। বাকি ৯৩ টি সচল গেট।

স্থানীয়সূত্রে জানা যায়,এলাকায়র প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অধিকাংশ স্লুইসগেটের কপাট আটকে দিয়ে মাছ ধরার জাল বসিয়েছিলেন। এর ফলে পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়,যা সড়কগুলোর আরও বেশি ক্ষতিসাধন করেছে।

পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করে স্লুইসগেটগুলো উন্মুক্ত করে। সড়ক যোগাযোগ লন্ডভন্ড হয়ে যাওয়ায় দুই উপজেলার  কয়েক লাখ মানুষ চরম ভাবে  দুর্ভোগে পড়েছেন। 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *