মূল কনটেন্টে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন
ব্রেকিং
পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆
অস্ট্রেলিয়া

‘হাজার বছরে নজিরবিহীন’ এল নিনো! অস্ট্রেলিয়ায় বাড়ছে তাপ, খরা ও দাবানলের শঙ্কা

ডেস্ক রিপোর্ট ১ মাস আগে সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩১৪৪ বার পঠিত
el nino australia

প্রশান্ত মহাসাগরে দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠছে এল নিনো। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, চলমান এই আবহাওয়া পরিস্থিতি কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোতে পরিণত হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরোও পূর্বাভাস দিয়েছে, এটি ১৯৫০ সালের পর রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের শেষ সপ্তাহে প্রশান্ত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ‘নিনো ৩.৪’ অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ দশমিক ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। আগামী বসন্ত ও গ্রীষ্মে এই তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এল নিনোর প্রভাবে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি গরম এবং কম বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি তৈরি হয়। এর ফলে খরা ও দাবানলের আশঙ্কাও বাড়ে। আবহাওয়া ব্যুরোর দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে ইতোমধ্যে দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় বসন্তে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

এর প্রভাবের কিছু নমুনা ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে। গত কয়েক দিনে সিডনিতে অস্বাভাবিক গরম পড়েছে। তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়, যা বছরের এই সময়ের স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে প্রায় ১৩ ডিগ্রি বেশি। শুষ্ক আবহাওয়া ও দমকা বাতাসের সঙ্গে তীব্র গরমের কারণে বৃহত্তর সিডনি অঞ্চলে চরম দাবানল ঝুঁকি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমান এল নিনো ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার প্রায় ১০০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মাসগুলোতে পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, খরা, তীব্র তাপপ্রবাহ ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়তে পারে।

তবে এল নিনো যত শক্তিশালী হবে, অস্ট্রেলিয়ায় তার প্রভাবও একই অনুপাতে বাড়বে—এমন নিশ্চয়তা নেই বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগরের পরিস্থিতিসহ আরও কয়েকটি জলবায়ু নিয়ামকের ওপর নির্ভর করে। ফলে এবারের এল নিনো রেকর্ড শক্তিশালী হলেও দেশটির প্রতিটি অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া দেখা যাবে না।

তারপরও আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, শক্তিশালী এল নিনো এবং চলমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব একসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সামনে কঠিন একটি বসন্ত ও গ্রীষ্ম নিয়ে আসতে পারে। বিশেষ করে তাপপ্রবাহ, খরা ও দাবানলের ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন