নারীদের মধ্যে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি যেমন বেশি, তেমনি একবার ক্যানসারে আক্রান্ত হলে তা ফিরে আসার আশঙ্কাও বেশি। পরিবারে ক্যানসারের পূর্ব ইতিহাস থাকলে, তা হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। স্তন ক্যানসারের এক বিরল ধরনও দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। সাধারণ স্তন ক্যানসারের যে সব উপসর্গ প্রকট হয়, তার থেকে এটি আলাদা। স্তনে কোনও বদলও সেভাবে ধরা পড়ে না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম ‘ইনভেসিভ লোবিউলার কার্সিনোমা’। কাজেই ক্যানসার থেকে বাঁচতে হলে যেমন একটা বয়সের পরে নির্দিষ্ট কিছু স্বাস্থ্যপরীক্ষা করিয়ে নিতে হয়, তেমনই নিয়ম করে ব্যায়াম করাও জরুরি। নারীদের জন্য এমন কিছু ব্যায়াম আছে যা নিয়মিত অভ্যাস করলে স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না।
উষ্ট্রাসনঃ প্রথমে ম্যাটের উপর হাঁটু মুড়ে বসুন। এ বার পিছনের দিকে খানিকটা হেলে হাত দু’টি দিয়ে গোড়ালি ধরুন। মাথা পিছনের দিকে ঝুলিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে পেটের অংশটি সামনের দিকে এগিয়ে দিন। পায়ের পাতা মাটিতে থাকবে। আসনটি করার সময়ে স্বাভাবিকভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। ২০-৩০ সেকেন্ড থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন। উষ্ট্রাসন করলে থাইরয়েড ও প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির সক্রিয়তা বাড়বে এবং শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
ওয়াল পুশ–আপঃ দেওয়ালের দিকে মুখ করে মাঝে এক ফুটের মতো দূরত্ব রেখে দাঁড়ান। দুই হাতের তালু দেওয়ালের উপর রাখুন (কাঁধ বরাবর)। এ বার কনুই ভাঁজ করে বুক-কাঁধ দেওয়ালের দিকে নিয়ে যান, আবার হাত সোজা করে আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। খেয়াল রাখবেন যেন শরীর সোজা থাকে। ১০-১২ বার এটি করতে হবে।
বার্পি এক্সারসাইজ়ঃ একটি পূর্ণ বার্পিতে সাধারণত চার ধরনের ব্যায়াম থাকে— জাম্প, স্কোয়াট, পুশ-আপ এবং প্ল্যাঙ্ক। তবে সব ক’টি একসঙ্গে অনেকেই করতে পারেন না। তাই সুবিধেমতো এবং শরীরের ক্ষমতা অনুযায়ী তার রদবদল করা যায়। প্রথমে মাথা, কাঁধ এক লাইনে রেখে দুই হাত উপরে তুলে হালকা লাফ দিতে হবে। তার পরে বুক একটু এগিয়ে স্কোয়াটের মতো ভঙ্গি করতে হবে। তার পরে পা দু’টিকে ছড়িয়ে, হাতের উপরে জোর দিয়ে বসে পড়তে হবে এবং ওই অবস্থায় লাফিয়ে পা দু’টিকে সোজা টানটান করে দিতে হবে। প্ল্যাঙ্কের মতো করে শরীরটাকে উপুড় করে রেখেই একটা পুশ-আপ করে আবার দুই পা এক লাফে ভাঁজ করে হাতের কাছে আনতে হবে।




