আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক বিমান হামলা স্থগিতের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পারস্য উপসাগরের গণ্ডি পেরিয়ে নতুন নতুন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর পাশাপাশি এবার কাস্পিয়ান সাগরেও উত্তেজনার ঢেউ পৌঁছেছে।
টানা ১৩ রাত হামলার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন কোনো বিমান হামলা চালায়নি। হোয়াইট হাউস ও সিএনএনের দেওয়া তথ্যমতে, মার্কিন অস্ত্রের মজুত হ্রাস পাওয়া, উপসাগরীয় মিত্রদের নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় ট্রাম্প প্রশাসন আপাতত কৌশলগত কারণে সামরিক পথ ছেড়ে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে।
সংঘাতের নতুন দুই ফ্রন্ট:
সৌদি-ইয়েমেন ফ্রন্ট: ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘আরামকো’র জিজান ও ইয়ানবু শোধনাগারে হামলার দাবি করেছে। সৌদি বাহিনী দুটো ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করার কথা জানালেও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওতে জিজানের শোধনাগার থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। হুতি প্রধান আবদুল মালিক আল-হুতি হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সৌদির সব তেল স্থাপনাই এখন তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু।
কাস্পিয়ান সাগর ও ইউক্রেনীয় যোগসূত্র: ইরান অভিযোগ করেছে, কাস্পিয়ান সাগরে তাদের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন, যাতে একজন প্রবীণ নাবিক নিহত হন। এ ঘটনায় তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পাল্টা দাবি করেছেন যে— রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ উসকে দিতে ইরানকে স্যাটেলাইট ও গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করে আসছে।
(রয়টার্স অবলম্বনে)



