মূল কনটেন্টে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন
ব্রেকিং
পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆
ফোকাস

ডিসেম্বরে দেশে ফেরায় অটল নেত্রী, জনগণের শক্তির ওপরই তাঁর আস্থা: ড. মো. সিরাজুল হক

লেখক : অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা সিডনি ইনসাইডারের সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ১ সপ্তাহ আগে বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ১২৪৩৪ বার পঠিত

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে এই প্রবাসীদের ভূমিকা ও সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে আলোচনা আমাদের জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি। তিনি অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের প্রতিটি সভা-সমাবেশ ও কর্মকাণ্ডের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

দিল্লি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সরাসরি দুটি অবিস্মরণীয় সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা আমার রাজনৈতিক জীবনে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে। প্রথমবার ১২ জুলাই ২০২৬ এবং দ্বিতীয়বার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬—এই দুই সুদীর্ঘ সাক্ষাতে আমি তাঁকে দেখেছি এক অপ্রতিরোধ্য, দৃঢ়চেতা, আত্মবিশ্বাসী ও প্রাণবন্ত নেতারূপে। প্রতিকূলতা তাঁকে একবিন্দুও দমাতে পারেনি; বরং তাঁর চোখে-মুখে ছিল দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার অদম্য জেদ এবং এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার অনির্বাণ দীপ্তি।

সাক্ষাতের সময় আমাদের এই আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আলোড়ন সৃষ্টিকারী দিকটি ছিল তাঁর ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার সুদৃঢ় ঘোষণা। এটি কোনো সাধারণ প্রত্যাবর্তন নয়; এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক ডাক।

এর আগে জুলাই মাসে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং আগস্টে দিল্লিতে এক সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি ডিসেম্বরে দেশে ফেরার যে অটল প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন, আমার সঙ্গে আলাপে তিনি সেই অবস্থানকে আরও স্পষ্ট ও চূড়ান্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সময় যেন দেশের প্রতিটি বাড়ি থেকে অন্তত একজন করে মানুষ ঢাকায় এসে এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নেয়। তাঁর এই ঘোষণা কোটি কোটি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

সাক্ষাৎকালের পুরো সময়জুড়ে তাঁকে অত্যন্ত স্বাভাবিক, হাসিখুশি ও প্রফুল্ল মনে হয়েছে। ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া বা সংকীর্ণতা তাঁকে স্পর্শ করতে পারেনি। তাঁর সমস্ত মনোযোগজুড়ে ছিল দেশের সাধারণ মানুষ, দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি। অত্যন্ত ধৈর্য ও মনোযোগ দিয়ে তিনি আমাদের কথা শুনেছেন, অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং প্রবাসী নেতাকর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা করে তাদের উৎসাহ জুগিয়েছেন। চিকিৎসাগত কোনো মূল্যায়ন না করেও একজন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক হিসেবে আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে পারি, তাঁর চোখের আগুন, কণ্ঠের দৃঢ়তা এবং আত্মবিশ্বাসী অঙ্গভঙ্গি প্রমাণ করে যে তিনি মানসিকভাবে পাহাড়ের মতো অটল।

আলোচনায় বারবার উঠে এসেছে দেশের মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নিবিড় সম্পর্কের কথা। জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টভাবে বিশ্বাস করেন—‘জনগণের শক্তিই আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় শক্তি।’ যেকোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্য, বিচক্ষণতা এবং সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রেখে জনগণের আস্থাকে সমুন্নত রাখতে হবে। তাঁর এই দূরদর্শী বার্তা প্রবাসের মাটিতে বসেও আমাদের দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের রাজনীতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে এই প্রবাসীদের ভূমিকা ও সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে আলোচনা আমাদের জন্য এক বিশাল প্রাপ্তি। তিনি অস্ট্রেলিয়া আওয়ামী লীগের প্রতিটি সভা-সমাবেশ ও কর্মকাণ্ডের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

১২ জুলাই ও ৩০ সেপ্টেম্বরের এই দুটি সাক্ষাৎ প্রমাণ করে যে, শেখ হাসিনা দেশের রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় তো দূরের কথা, বরং আরও বেশি গতিশীল ও জোরালো ভূমিকা নিয়ে ফিরে আসছেন। ডিসেম্বরে তাঁর দেশে ফেরার এই প্রত্যয় আজ দেশের কোটি কোটি গণতন্ত্রকামী মানুষের হৃদয়ে এক নতুন আশার দীপশিখা জ্বেলে দিয়েছে। সবশেষে এটাই বলতে চাই—রাজনৈতিক পথচলার হাজারো চড়াই-উতরাই পেরিয়ে শেখ হাসিনা আবারও প্রমাণ করতে চলেছেন যে, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে তাঁর আসন কতটা পাকাপোক্ত। গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষায় তাঁর এই প্রত্যাবর্তন দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু!

 

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *