মূল কনটেন্টে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন
ব্রেকিং
পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆
জাতীয়

ইশরাকের পদত্যাগ, বিতর্কের কেন্দ্রে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান

বিশেষ প্রতিনিধি ১ সপ্তাহ আগে সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ৪০৭১ বার পঠিত

মেয়র নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুত, দলীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত

অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার ভিডিও ঘিরে তীব্র বিতর্কের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। তাঁর ভাষ্য, নিজের কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি ও সরকার যাতে বিব্রত না হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কাজ আড়ালে পড়ে না যায়, সে কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়লেও মাদকবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দল মনোনয়ন দিলে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে কয়েকশ নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন এবং ঢাকা-৬ আসনসহ আশপাশের এলাকায় মাদক নির্মূল ও জনজীবনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এ কাজে এগিয়ে যাওয়ার সম্মতি দিয়েছেন।

অস্ত্র হাতে অভিযান, বিতর্কের সূত্রপাত

গত ১৭ অক্টোবর রাজধানীর গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের অস্ত্র হাতে থাকার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অভিযানের একাধিক ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। একটি ভিডিওতে তাঁকে অস্ত্র হাতে এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তির হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে কয়েকজনকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এ ঘটনার পর জনপ্রতিনিধির অস্ত্র হাতে অভিযান পরিচালনার বৈধতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা এবং এ ধরনের অভিযানে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের অংশগ্রহণের সীমা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ঘটনাটিকে ‘পিস্তল উঁচিয়ে ত্রাসের রাজত্বের বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটে থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

বিতর্কের মধ্যে রোববার রাতে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। পরদিন সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তবে তিনি নিজের বক্তব্যে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার বিষয়টিকেই সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেন।

ইশরাকের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযান ছিল পূর্বপরিকল্পিত

সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর ও মুন্সিরটেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও সরবরাহের অভিযোগ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার তাঁর কাছে অভিযোগ জানালে তিনি বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানা-পুলিশের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। তাঁর দাবি, এলাকাটিতে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আধা-সরকারি পত্র পাঠানো এবং ফাঁড়ির জন্য জায়গা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

ইশরাকের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বরের একটি বৈঠকে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয়। সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ১৭ অক্টোবরের অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের আগে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।

অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ইশরাক বলেন, এলাকায় প্রবেশের পর একদল লোককে ছুটোছুটি করতে দেখে নিজের নিরাপত্তার জন্য বৈধ লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নেন তিনি। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে মাদক বিক্রি ও সেবনের চিত্র দেখার দাবি করেন তিনি।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকটি ভবনে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনভর্তি একটি স্কুলব্যাগ, প্রায় ৩০০ গ্রাম হেরোইন, কয়েক বোতল মদ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এসব সামগ্রীর বিষয়ে সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলেও দাবি করেন তিনি। অভিযান শেষে ছয়জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় বলে জানান ইশরাক।

তবে উদ্ধার করা সামগ্রী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং অভিযানের পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুলিশের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য ছাড়া তাঁর বক্তব্যকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

‘কোনো ভুল করিনি’, তবু দুঃখ প্রকাশ

অস্ত্র হাতে থাকার বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ইশরাক বলেন, অস্ত্রটি কাউকে ভয় দেখানো বা হুমকি দেওয়ার জন্য ব্যবহার করেননি; নিজের নিরাপত্তার জন্য অল্প সময়ের জন্য হাতে রেখেছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁর নামে একটি পিস্তল ও একটি রাইফেলের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে। অভিযানের সময় অন্য অস্ত্রটি লাইসেন্সধারী এক সহকর্মীর কাছে ছিল বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, অভিযানের সময় তাঁর কর্মকাণ্ডে কেউ আহত বা কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নিজের নিরাপত্তার জন্য অস্ত্র হাতে নিয়ে তিনি কোনো ভুল করেননি।

তিনি আরও বলেন, অভিযানের ভিডিও ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে মাদকবিরোধী উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য আড়ালে পড়ে গেছে। গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন তাঁকে এভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হলো।

অন্যদিকে, ঘটনার মূল প্রশ্ন কেবল মাদকবিরোধী অভিযানের উদ্দেশ্য নয়; একজন জনপ্রতিনিধি কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করবেন এবং অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমা কোথায়—সেসব বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

পদত্যাগের পরও মাদকবিরোধী কর্মসূচি চালানোর ঘোষণা

ইশরাক জানিয়েছেন, প্রতিমন্ত্রীর পদে না থাকলেও মাদক নির্মূলের উদ্যোগ বন্ধ করবেন না। বরং সংসদ সদস্য বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে এ কার্যক্রমে আরও সক্রিয় হতে চান তিনি। ঢাকা-৬ আসন ছাড়াও প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য এলাকায় কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

তাঁর বক্তব্য, শুধু খুচরা বিক্রেতাদের আটক করে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; মাদকের মূল সরবরাহকারী ও বিতরণব্যবস্থাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইশরাকের দাবি, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। পুলিশ সদস্যের সংকট, যানবাহনের অভাব এবং মাদক কারবারিদের হামলার আশঙ্কায় এলাকায় কার্যকর অভিযান পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে এসব বক্তব্যের স্বাধীন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা ছাড়া পরিস্থিতির সামগ্রিক চিত্র নির্ধারণ করা কঠিন।

মেয়র নির্বাচনেও আগ্রহ, সিদ্ধান্ত বিএনপির

প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণার পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচন নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়েন ইশরাক। তিনি সরাসরি কোনো নির্বাচনি ঘোষণা না দিলেও জানিয়েছেন, বিএনপি ও দলের চেয়ারম্যান তথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে মনোনয়ন দিলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে শতভাগ প্রস্তুত।

২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ইশরাক। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস জয়ী হয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেটকে কেন্দ্র করে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করার বিষয়টি সামনে আসে। তবে তাঁর শপথ গ্রহণ নিয়ে আইনি জটিলতা ও রাজনৈতিক বিরোধও দেখা দেয়।

ইশরাকের মতে, ঢাকার নগর ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার ঘাটতি, বিভিন্ন সেবা সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং নাগরিক সমস্যার সমাধান নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। এ অভিজ্ঞতা মেয়র নির্বাচনে কাজে লাগাতে চান তিনি।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, দল অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলেও সেই প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করবেন। অর্থাৎ, মেয়র পদে তাঁর আগ্রহ থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের নেতৃত্বের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন।

বিএনপির জন্য রাজনৈতিক বার্তা কী?

ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনাটি কেবল একজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের জবাবদিহি, জনপ্রতিনিধির ক্ষমতা প্রয়োগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার প্রশ্ন সামনে এনেছে।

ইশরাকের বক্তব্য অনুযায়ী, দল ও সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে দূরে রাখতেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক দায় নেওয়ার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে পদত্যাগের মাধ্যমে বিতর্কের অবসান হবে কি না, তা নির্ভর করবে অভিযানের আইনগত দিক, পুলিশের তদন্ত, উদ্ধার করা সামগ্রীর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গৃহীত পদক্ষেপের ওপর।

একই সঙ্গে মাদকবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, কিন্তু সেই উদ্যোগের কার্যকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে আইনসম্মত প্রক্রিয়া, পুলিশের নেতৃত্ব এবং স্বচ্ছ জবাবদিহি অপরিহার্য।

সব মিলিয়ে, প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির জন্য তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্ক সামাল দেওয়ার একটি পদক্ষেপ। কিন্তু অস্ত্র হাতে অভিযানের বিতর্ক, আইনগত প্রশ্ন এবং তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান—এই তিনটি বিষয়ই আগামী দিনে আলোচনায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *