ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। এ নিয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এয়ারবাস কিনছি। ১০টি কিনছি। ইনশা আল্লাহ, অক্টোবরে চুক্তি হয়ে যাবে।’
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে বলেও জানান বিমানমন্ত্রী। এর ফলে বোয়িংয়ের সঙ্গে সরকারের মোট চুক্তিবদ্ধ উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে।
মন্ত্রী বলেন, চুক্তি স্বাক্ষর করা মানেই উড়োজাহাজগুলো এখনই দেশে আসবে না। চুক্তি অনুযায়ী প্রথম উড়োজাহাজটি ২০৩১ সালে দেশে আসবে। ২৫টি উড়োজাহাজ দেশে আসতে ১১ থেকে ১২ বছর সময় লাগবে। এ জন্য এখন কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে না। একটি করে উড়োজাহাজ দেশে আসার পর সেটির মূল্য পরিশোধ করা হবে।
অন্যদিকে, আগামী ২৫ থেকে ৩০ বছর পর দেশের এভিয়েশন খাত কোথায় যাবে, সেই পরিকল্পনা সামনে রেখেই এসব চুক্তি করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।
কোন দেশ বা কোন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘আমরা কোত্থেকে কী কিনব, এটা তো ডেফিনেটলি আমাদের নিজস্ব একটা বিষয় থাকে। কোন এয়ারক্রাফটটা কীভাবে আমাদের জন্য সুইটেবল, সেটা চিন্তা করেই কিন্তু আমরা করছি।…কারও লেভেল প্লেইং ফিল্ড হলো কি হলো না—সেটা দেখার বিষয় আমাদের নয়।’
তিনি বলেন, দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তুলনায় কম জিডিপির দেশ ইথিওপিয়ার উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী বলেন, ইথিওপিয়ার এয়ারলাইনস বর্তমানে ১৬৭টি উড়োজাহাজের বহর নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এভিয়েশন খাত উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশ এভিয়েশন খাতে অনেক পিছিয়ে রয়েছে।




