মূল কনটেন্টে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন
ব্রেকিং
পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆
রাজনীতি

ভোলায় সালিসে ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা আহত, গণপিটুনিতে কর্মীর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার ১ সপ্তাহ আগে রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩৬৫৭ বার পঠিত

ভোলার সদর উপজেলায় একটি সালিসকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির জেরে বিএনপির এক নেতাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের গণপিটুনিতে মো. আসিফ (২৫) নামের বিএনপির এক কর্মী নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত বিএনপি নেতা মো. হোসেন হাওলাদার ওরফে হোসেন ম্যানেজারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের আনন্দবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পিটুনিতে আহত আসিফকে পুলিশ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত আসিফ রাজাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা দুলু মিয়ার ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, আহত হোসেন হাওলাদার রাজাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হোসেন ও আসিফের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। কয়েক দিন আগে আসিফকে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তাঁদের বিরোধ আরও তীব্র হয়। পরে একটি রাজনৈতিক মামলায় কারাগারে যান হোসেন। সম্প্রতি দুজনই জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফেরেন।

শনিবার সন্ধ্যায় আনন্দবাজারে একটি সালিস চলাকালে হোসেনকে কথা বলতে দেখে আসিফ তাঁর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে আসিফ ধারালো অস্ত্র দিয়ে হোসেনকে আঘাত করে সেখান থেকে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত হোসেনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে বরিশালে এবং পরে ঢাকায় পাঠানো হয়। এ সময় এলাকায় হোসেনের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত লোকজন আসিফকে ধরে মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভোলা সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্য মোহাম্মদ মামুন জানান, শনিবার রাত পৌনে আটটার দিকে হোসেনকে হাসপাতালে আনা হয়। পরে তাঁকে বরিশালে পাঠানো হয়। আর রাত পৌনে নয়টার দিকে আসিফকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহজাহান ব্যাপারী বলেন, হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার ঘটনায় আসিফ জড়িত ছিলেন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। পরে আসিফকে স্থানীয় লোকজন মারধর করেন। তিনি আরও জানান, আসিফ বিএনপির কর্মী ছিলেন, তবে দলের কোনো পদে ছিলেন না।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আসিফ ছুরিকাঘাত করেন। এরপর স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করেন। ঘটনার তদন্ত চলছে। আসিফের মরদেহের সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি এবং মরদেহ নিতে কেউ আসেননি।

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *