মূল কনটেন্টে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন
ব্রেকিং
পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি নয়, ইরানে সরকার পরিবর্তনই ট্রাম্প ও আমার প্রধান লক্ষ্য : নেতানিয়াহু

ডেস্ক রিপোর্ট ৫ দিন আগে বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ৪৫৫৪ বার পঠিত
Photo Credit : India Today

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নয়, বরং দেশটির ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানোই প্রধান লক্ষ্য—এমন অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ক্ষমতায় থাকলে দেশটি আবারও পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন এবং আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করবে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর কিরিয়াত শমোনার কাছে তেল হাই বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নেতানিয়াহু। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাজ শেষ করা’ বলতে তিনি ইরানের ‘সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার পতন’ বোঝাচ্ছেন। তাঁর দাবি, ইরানই আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার মূল উৎস। দেশটির শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে পারলে হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীগুলোও দুর্বল হয়ে পড়বে এবং লেবাননের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে।

নেতানিয়াহু জানান, ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর একাধিকবার কথা হয়েছে, যার মধ্যে গত রোববারের আলোচনাও রয়েছে। তাঁর মতে, সামরিক হামলায় ইরান দুর্বল হয়ে পড়লেও দেশটির শাসকগোষ্ঠী পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক মিত্রদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তাই কেবল সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানা বা সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, ইরানের ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটানোই দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় বলে মনে করেন তিনি।

তবে নেতানিয়াহুর বক্তব্যে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা ও লক্ষ্যগত মিলের কথা উঠে এলেও ইরানে সরকার পরিবর্তনের বিষয়ে দুই নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হয়নি। ওয়াশিংটন এ বিষয়ে কী ধরনের পদক্ষেপে সম্মত, সেটিও স্পষ্ট নয়।

এদিকে ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন নিয়ে নেতানিয়াহুর বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, তেহরান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে—তা এখন দেখার বিষয়।

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *