মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
ঢাকা
--:--
সিডনি
--:--
ব্রেকিং
শাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরপাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথাএবিএম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিলশাপলা চত্বর ঘটনা: শেখ হাসিনা ও বেনজীরসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠনআইসিসির পরোয়ানা তোয়াক্কা না করে ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু; ট্রাম্পের সাথে রেকর্ড বৈঠকবাংলাদেশসহ ৬০ দেশের উপর ট্রাম্পের নতুন শুল্ক, তালিকায় আছে কোন কোন দেশ  পদত্যাগের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি: ‘প্রশ্নটা বিব্রতকরপাঠ্যবইয়ে থাকছে না ওসমান হাদির বীরত্বগাথাএবিএম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ বাতিল
বিচিত্র সংবাদ

পুরুষ না নারী, কাদের গরম বেশি লাগে? কী বলছে গবেষণা

dsinsider ৩ দিন আগে শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ১৪৪ বার পঠিত

নানা গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে, পুরুষদের তুলনায় মেয়েদেরই গরম বেশি লাগে। গরম সহ্য করার ক্ষমতাও মহিলাদের কম। এর জন্য দায়ী কি কেবলই হরমোন? হার্ভার্ড হেল্‌থ পাবলিশিং থেকে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে, এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, যে কোনও মহাদেশেরই মহিলাদের গরম একটু বেশিই লাগে। পুরুষদের তুলনায় তা বেশি। আর এর কারণ কেবল হরমোন নয়। আরও কিছু কারণ রয়েছে।

ঘাম নিঃসরণ শরীর ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়া

পুরুষদের তুলনায় মেয়েদের ঘাম কম হয় বলেই দাবি। যেহেতু ত্বক থেকে ঘাম বাষ্পীভবনের মাধ্যমেই শরীরের তাপমাত্রা কমে, সেই প্রক্রিয়াটি মেয়েদের ধীরে হয়। তাই শরীর সহজে ঠান্ডা হতে পারে না।

শরীরের ‘থার্মোস্ট্যাট’

হরমোনের প্রভাব রয়েছেই। ঋতুচক্র চলাকালীন মেয়েদের শরীরে প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এই হরমোন শরীরের তাপমাত্র বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি। আবার রজোনিবৃত্তি পর্ব চলার সময়ে বা রজোনিবৃত্তির পরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যায়। ইস্ট্রোজেনের ঘাটতি মস্তিষ্কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী কেন্দ্র ও রক্তনালির সঙ্কোচন-প্রসারণের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। ফলে গরম লাগা, শারীরিক অস্বস্তিবোধ অনেক বেড়ে যায়।

রজোনিবৃত্তি পর্বে ‘হট ফ্ল্যাশ’-এর সমস্যাও ভোগায় মেয়েদের। চিকিৎসাবিজ্ঞানে হট ফ্ল্যাশকে বলা হয় ‘ভ্যাসোমোটর সিম্পটম’ (ভিএমএস)। ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ায় হৎস্পন্দনের হার আচমকা বেড়ে যায়, বুক ধড়ফড় করতে থাকে অনেকের। ঘুমের সমস্যাও দেখা দেয়। মেজাজের ঘন ঘন বদল হতে থাকে। প্রচণ্ড গরম অনুভূত হতে থাকে, এমনকি রাতে শুয়েও ঘাম হয় অনেকের।

পেশি মেদের অনুপাত

সাধারণত পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের শরীরে পেশির পরিমাণ কম থাকে। চর্বি বা মেদের মাত্রা বেশি থাকে। মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন চর্বি জমিয়ে রাখে। প্রজনন ও সন্তানধারণের জন্যই এই প্রক্রিয়াটি ঘটে। আর পুরুষদের টেস্টোস্টেরন হরমোন পেশি তৈরিতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়। পেশি কম থাকায়, মহিলাদের শরীরে ক্যালোরি পোড়ানোর বা বিপাকক্রিয়ার হার পুরুষদের তুলনায় কিছুটা কম হয়। চর্বি শরীরের ভিতরে তাপ জমিয়ে রাখে, যে কারণে গরম বেশি লাগে।

কম পানি খাওয়া

কর্মক্ষেত্রে হোক বা বাইরে বেরোলে ঘন ঘন শৌচাগারে যাতে না যেতে হয়, সে জন্য অনেক মহিলাই পানি কম খান। এই প্রবৃত্তির জন্য শরীরে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয়। ফলে আর্দ্রতা কমে। গরম বেশি লাগে।

সূত্র: আনন্দবাজার

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *