মূল কনটেন্টে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন
ব্রেকিং
পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆
খেলা

বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড আয় ফিফার, অঙ্ক শুনলে চমকে যাবেন

dsinsider ৩ মাস আগে শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ৩৬৪৫ বার পঠিত

আরও একটি আলোচিত বিশ্বকাপের সমাপ্তি। তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ১০৪ ম্যাচের বিশ্বকাপ। চোখধাঁধানো স্টেডিয়াম, নতুন ফরম্যাট, রোমাঞ্চে ভরা অসংখ্য ম্যাচ, তবে বিতর্কেরও কমতি ছিল না। তবে সব আলোচনা ছাপিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ পর্যন্ত রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে। যা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতোই ব্যাপার। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হয়েছে রেকর্ড ১৫২০ কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। রাজনৈতিক টানাপোড়েন, বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত কিংবা সংগঠনটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে সমালোচনা কোনো কিছুই ব্যবসায়িক সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

ফিফা জানিয়েছে, এই বিপুল আয়ের বড় একটি অংশ ব্যয় করা হবে বিশ্বজুড়ে ফুটবলের কাঠামোগত উন্নয়নে। ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোকে দেওয়া হবে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা। ফিফার ভাষায়, এই অর্থ ফিরে যাবে ফুটবলের ‘পিরামিডে’, অর্থাৎ তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত ফুটবলের বিকাশে।

আয়ের দিক থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হয়েছিল প্রায় ৭৬০ কোটি ডলার। অর্থাৎ এবার সেই অঙ্ক প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ৫৫০ কোটি ডলার, ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে ৪৭০ কোটি ডলার এবং ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ৩৩০ কোটি ডলার।

মাত্র চার বছরের ব্যবধানে আয় দ্বিগুণ হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ টুর্নামেন্টের সম্প্রসারণ। এবার প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্বকাপ, ফলে ম্যাচসংখ্যাও বেড়ে দাঁড়ায় রেকর্ড ১০৪ এ। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে টিকিট বিক্রি, সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম। আরেকটি বড় কারণ ছিল আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোক্তা বাজার, বিনোদন শিল্পের শক্তিশালী কেন্দ্র এবং বিপণনের জন্য আদর্শ প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় বিশ্বকাপকে ঘিরে বাণিজ্যিক আগ্রহ ছিল নজিরবিহীন।

ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেক সমর্থকের কাছে টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া মনে হলেও যুক্তরাষ্ট্রে তার প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। ফাইনাল ম্যাচের ওপরের গ্যালারির একটি সাধারণ আসনের জন্য প্রায় ১১ হাজার ৭০০ ডলার খরচ করতেও পিছপা হননি দর্শকরা। সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি থেকেও এসেছে বিপুল অর্থ। একইসঙ্গে বেড়েছে স্পন্সরশিপ ও কমার্শিয়াল পার্টনারশিপের পরিমাণ।

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন