মূল কনটেন্টে যান
সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন
ব্রেকিং
পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆পিছিয়ে থেকেও ব্রাজিলে লুলার বিস্ময়কর বিজয়, চতুর্থবার প্রেসিডেন্ট: মোদিসহ বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন◆ইরানে হামলার হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প◆যাত্রা শুরু ওয়েস্টার্ন সিডনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের, আজ উড়ছে প্রথম বাণিজ্যিক ও কাল থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট◆ফের ডিভি লটারি, তালিকায় নেই বাংলাদেশ◆৩০ অক্টোবর চালু হচ্ছে সিডনির নতুন মেট্রো◆তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬ : বিধ্বস্ত ৩ শতাধিক বাড়িঘর◆
বিবিধ খবর

নিয়ন্ত্রণের’ বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা তেলের বাজার

ডেস্ক রিপোর্ট ৭ মাস আগে মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ ৪৪০৭ বার পঠিত
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল। ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরল সতর্ক করে বলেছেন, বিশ্ব বর্তমানে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট এবং ২০২২ সালের ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতির সম্মিলিত প্রভাবের চেয়েও ভয়াবহ এক জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি। মবার (২৩ মার্চ) ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে এক মিডিয়া ইভেন্টে তিনি এ কথা বলেন।

ফাতিহ বিরল বলেন, বর্তমান সংকটটি মূলত দুটি তেল সংকট ও একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ। হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় হামলার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ দৈনিক প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল হ্রাস পেয়েছে। এটি সত্তরের দশকের সংকটগুলোর সম্মিলিত ঘাটতির চেয়েও দ্বিগুণের বেশি।

সেই সাথে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহও প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ঘনমিটার কমেছে। অথচ ইউক্রেনে রুশ হামলার পর এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৭৫ বিলিয়ন ঘনমিটার। বিরলের তথ্যমতে, চলমান এই সংঘাতে অন্তত ৯টি দেশের ৪০টি জ্বালানি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতি আজ এক বিশাল হুমকির সম্মুখীন এবং আমি আশা করি এই সংকটের দ্রুত সমাধান হবে।’ আইইএ প্রধান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই সংকটের গভীরতা অনেকের কাছে ঠিকমতো উপলব্ধি হয়নি। তাই আইইএ এবার প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করছে।

প্যারিসভিত্তিক এই আন্তঃসরকারি সংস্থাটি চলতি মাসের শুরুর দিকে তাদের জরুরি মজুদ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এছাড়া জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারগুলোর জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে—দূরবর্তী কর্মসংস্থান (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) ও কারপুলিং সুবিধা বাড়ানো এবং মোটরওয়েতে যানবাহনের গতিসীমা কমিয়ে আনা।আইইএ প্রধান বলেন, এই সংকটের একমাত্র কার্যকর সমাধান হলো হরমুজ প্রণালী খোলা কেননা এই জলপথ বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করে। এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনা আরও জোরদার হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন, আর ইরান পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি হামলা চালানো হয়, তারা হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধ করবে। বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কেবল কিছু নির্দিষ্ট দেশের জাহাজই চলাচল করছে।

বিজ্ঞাপনবিজ্ঞাপন